মোঃ আজিজুল হক নাজমুল
স্টাফ রিপোর্টারঃ

জাল কাগজপত্র তৈরি করে সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ১৬ জন চেয়ারম্যান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকতা, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, কাউন্সিলরসহ মোট ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

গত ২৬ আগস্ট দুর্নীতি দমন কমিশনের রংপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. হোসাইন শরীফ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ১৯ জনের বিরুদ্ধে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে গাইবান্ধা জেলার গােবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ধর্মীয় সভার অনুকূলে জিআরের বরাদ্দ করা ৫ হাজার ৮২৩ মেট্রিক টন সরকারি চাল পরস্পর যােগসাজশের আত্মসাত করেন। তারা প্রকল্প বাস্তবায়ন সংক্রান্ত জাল কাগজপত্র সৃজনের মাধ্যমে কালােবাজারে প্রতি মেট্রিক টন চাল ৩৭ হাজার ৮৩৬.৪৪ টাকা হিসেবে মােট ২২ কোটি ৩ লাখ ২১ হাজার ৫৯০ টাকা বিক্রি করে অর্থ আত্মসাত করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জহরিুল ইসলাম, ১নং কামদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশাহেদ হোসেন চৌধুরী, ২নং কাটাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম (রফিক), ৩ নং শাখাহার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তাহাজুল ইসলাম ভুট্টু, ৪ নং রাজাহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ সরকার, ৫নং সাপমারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাকিল আলম, ৬ নং দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ. র. ম. শরিফুল ইসলাম জর্জ, ৭নং তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান আতিক, ৮নং নাকাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের প্রধান, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আকতারা বেগম, ১০ নং রাখালবুরুজ ইউনিয়ন পরিষদের শাহদাত হোসেন, ১১নং ফুলবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মোল্লা, ১২ নং গুমানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শরীফ মোঃ জগলুল রশিদ রিপন, ১৩নং কামারদহ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শরফিুল ইসলাম রতন, ১৪নং কোচাশহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন, ১৫ নং শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সেকেন্দার আলী মণ্ডল, ১৬ নং মহিমাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ প্রধান, ১৭ নং শালমারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমি হোসেন শামীম ও গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর গোলাপী বেগম।

দণ্ডবিধির ৪০৯/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরােধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযােগ্য অপরাধ করায় তাদের বিরুদ্ধে গত ২৬ আগস্ট একটি মামলা রুজু করেছে কমিশন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *