আলিফ হোসেন, তানোরঃ
রাজশাহীর তানোর পৌর আওয়ামী আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় উঠে এসেছে
ব্যবসায়ী, বিশিস্ট সমাজ সেবক, আদর্শিক ও তরুন নেতৃত্ব আলহাজ্ব আবুল বাসার সুজন।

জানা গেছে, তানোর পৌর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সভাপতি পদে সুজনকে চাই তৃণমুল। তৃণমুলের দাবির মুখে তিনি পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে আশার ইচ্ছে প্রকাশ করে মাঠে নামেন ও নেতাকর্মীদের মাঝে নিজের অবস্থান তুলে ধরে প্রচারণা শুরু করেন।

এদিকে তৃণমুলের নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের আকুন্ঠ সমর্থন সুজনকে আশাবাদী করে তুলেছে। তৃণমুলের ভাষ্য, সুজন সভাপতির দায়িত্ব পেলে ঐক্যবদ্ধ পৌর আওয়ামী লীগ উপহার দিবেন এবং তার সেই সক্ষমতা রয়েছে। সুজন সেই লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন।ইতমধ্যে তিনি তার সেই সক্ষমতার জানান দিয়েছেন।

তানোর পৌর আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিতে নেতার যে ধরনের পারিবারিক ও সামাজিক পরিচিতি, আর্থিক স্বচ্ছলতা, নেতৃত্বগুন এবং কর্মী বাহিনী প্রয়োজন তার সবগুলো সুজনের মাঝে বিদ্যমান।

তৃণমুল বলছে তানোর পৌর আওয়ামী লীগের একশ্রেণীর দায়িত্বশীল নেতা দলকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করতে কখানোই কোনো ভুমিকা রাখতে পারনি বরং এমপির বিরোধীতা করে পৃথক বলয় সৃস্টির নামে জামায়াত-বিএনপির বি-টিম হয়ে নৌকাবিরোধী অবস্থান নিয়ে দলের ক্ষতি করেছে। এছাড়াও এখানো তারা জামায়াত-বিএনপির বিরুদ্ধে এমনকি নিজ দলের কর্মসুচি দেবার মতো সক্ষমতাও রাখে না।

এখানো এমপি এবং উপজেলা চেয়ারম্যান ব্যতিত তারা দলীয় কোনো কর্মসুচি দিতে প্রায় অক্ষম। এসব কারণে পৌর আওয়ামী লীগের তৃণমুল নতুন ও শক্তিশালী নেতৃত্ব দিতে স্থানীয় সাংসদ এবং জেলার নেতৃবৃন্দের কাছে অনুরোধ করেছেন। এদিকে তাদের অনুরোধে সাড়া দিয়ে পৌর আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিতে আবুল বাসার সুজন মাঠে নেমেছেন।

আগামিতে সুজন পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মেয়র প্রার্থী হচ্ছেন এটা প্রায় নিশ্চিত বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে। তৃতীয় শ্রেণীর তানোর পৌরসভার মতো জায়গা থেকে সুজনের নেবার কিছু নাই, তবে দেবার অনেক কিছু রয়েছে। কারণ পৌরসভায় বছরে যে বাজেট হয় সুজনের পরিবার আয়কর, জাকাত-আর্থিক অনুদান ইত্যাদি মিলে তার থেকে বেশী টাকা ব্যয় করেন।
জানা গেছে, আবুল বাসার সুজন।

তিনি প্রায় তিন বছর যাবত তানোর পৌর আওয়ামী লীগকে সাংগঠনিক ভাবে শক্তিশালী করার জন্য মাঠে কাজ শুরু করেন। এলাকার উন্নয়ন ও সমাজের অবহেলিত মানুষের ভাগ্যউন্নয়নে স্থানীয় সাংসদের সার্বিক সহযোগীতা ও দিকনির্দেশনায় কাজ করে চলেছেন।

অধিকাংশক্ষেত্রে অন্যরা যখন নেতার টাকার ওপর নির্ভরশীল হয়ে রাজনীতি করে, তখন সুজন নিজের পকেটের টাকা খরচ করে নেতাকর্মীদের চাঙ্গা রাখেন। তিনি তিন বছর ধরে আওয়ামী লীগকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করতে কাজ করছেন, তবে তিনি কোনো নেতার কাছে থেকে একটি টাকাও গ্রহণ করেন নি বরং নিজের টাকায় বিভিন্ন কর্মসুচি পালনে সহায়তা করে আসছেন। #

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *