নিজস্ব সংবাদদাতা:
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা অ্যাড. তৈমূর আলম খন্দকার বলেছেন, আমি সবসময় নিপীড়িত, নির্যাতিত, দলের জন্য নি‌বে‌দিত নেতাকর্মীদের পাশে আছি, থাকবো। এবং দলের মধ্যে তারা যেন মূল্যায়িত হয়, সে ব্যাপারে আমি সর্বদা চেষ্টা করবো। এর সাথে কোনো আপস করবো না।

সোমবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে সদ্য কারামুক্ত বিএনপি নেতা ও কাউন্সিলর ইকবাল হোসেন তৈমূর আলমের সাথে তার চেম্বারে দেখা করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।

তৈমূর আলম বলেন- আমিও নির্যাতিত, দলের জন্য বহুবার আমাকে কারাবরণ করতে হয়েছে। আমি জানি একজন নির্যাতিত নেতা দলের জন্য কতটা ত্যাগ রয়েছে। তাদেরকে মূল্যায়ন না করা গেলে দল কখনই শক্তিশালী হবে না। আমি চাই, ত্যাগীরা দলের হাল ধরুক। তবে এ দলটি আরও শক্তিশালী হবে। নির্যাতিত নেতাকর্মীর পাশে আমি সবসময় থাকবো।

তিনি আরও বলেন, ইকবাল হোসেন একজন নির্যাতিত নেতা। সে বিএনপির নিবেদিত প্রাণ। এই দলের জন্য সে বারবার কারাবরণ করেছেন। দল তার এই ত্যাগকে অবশ্যই মূল্যায়ন করবে।

দীর্ঘ ছয় মাস পর গত ৭ অক্টোবর সন্ধ্যার দিকে কাউন্সিলর ইকবাল হোসেন নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান। এর আগে উচ্চ আদালতের ২৮ নম্বর কোর্ট থেকে তিনি দুই মামলায় জামিন লাভ করেন।

প্রসঙ্গত, গত ৬ এপ্রিল দিবাগত রাত ১টার দিকে হেফাজতে ইসলামের হরতালে সহিংসতার অভিযোগে করা মামলায় কাউন্সিলর মোঃ ইকবাল হোসেনকে আটক করে র‌্যাব-১১। পরদিন দুপুরের দিকে র‌্যাব-১১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ জসিম উদ্দিন চৌধুরী তার আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

২৮ মার্চ হেফাজত ইসলামের ডাকা দেশব্যাপী হরতাল পালনকালে দুষ্কৃতকারীরা নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মৌচাক, সানারপাড় ও শিমরাইল এবং চিটাগাং রোড এলাকায় ব্যাপক সহিংসতা, গাড়ি ভাংচুর, নাশকতা সৃষ্টি ও অগ্নিসংযোগ করে জনমনে ভয়ভীতি সঞ্চার ও সরকারী কাজে বাঁধা সৃষ্টি করে। ওই ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় র‌্যাব ও পুলিশ বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে পৃথক ৬টি মামলা করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.