মোহাম্মদ এরশাদুল হক লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম)প্রতিনিধিঃ

মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন মানিক। বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম ডাঃ সিদ্দিক আহমদের সুযোগ্য পুত্র। দীর্ঘদিন ছাত্রলীগের রাজনীতি করেছেন। তৃণমুলের এই জাহাঙ্গীর হোসেন মানিক পুটিবিলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি(ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তার রক্তে মিশে রয়েছে আওয়ামীলীগের আদর্শের জয়গান তিনি একজন সুশিক্ষিত আদর্শিক রাজনীতি করতে পছন্দ করেন দীর্ঘদিন রাজনীতির পাশাপাশি সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন মানবতার কল্যানেও কাজ করেছেন তিনি জনসমর্থন পেয়ে আগামী নির্বাচনে নৌকার প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে আগ্রহী গেল বর্ধিত সভায় তিনি তার প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন তবে, বর্তমান চেয়ারম্যান বর্ধিত সভায় আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন না বলে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সামনে অবগত করেন।

কিন্তু একটি মহল সেটাকে পুঁজি করতে নৌকার মনোননয় প্রত্যাশী জাহাঙ্গীর হোসেন মানিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি মহল।
নৌকার মনোননয় প্রত্যাশী,পুটিবিলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি(ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন মানিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তার ফেইসবুক আইডিতে লিখেছেন তার পাঠকের জন্য হুবহু তুলে ধরা হল….”

ঐক্যে ফাটলের অপচেষ্টা
আস্ সালামুআলাইকুম – প্রিয় পুটিবিলাবাসী গত দুই দিনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আক্রমণাত্মক বিভিন্ন পোস্ট এবং সর্বসাধারণের বিভিন্ন প্রশ্নবাণে আমি বিব্রত, মর্মাহত কিন্তুু আলোচিত, সমালোচিত শোডাউনের বিষয়টি নিয়ে পরিপূর্ণভাবে না জেনে আপনাদের ও বিষয়টি নিয়ে ক্লিয়ার কোন বক্তব্য দিতে পারিনি বলে দুঃখিত। হাজী ইউনুস আমার পিতৃতূল্য,যাকে সুদীর্ঘকাল ধরে শ্রদ্ধার স্থানে অধিষ্ঠিত করে রেখেছি অত্যন্ত উত্তম চরিত্রের অধিকারী একজন পরোপকারী, সৎ মানুষ। গত কয়েকদিনের বিভিন্ন আলোচনা,সমালোচনা
অত্যন্ত নির্লোভ,নির্মোহ মানুষটিকে বিতর্কিত করে তোলার পেছনের কুশিলবদের চিনে রাখা আমাদের জন্য অপরিহার্য।

যার জন্য জীবনটা বাজিঁ রেখেছি অতীতে, বর্তমান/ ভবিষ্যতে ও রাখতে দ্বিধা করবনা,চেয়ারম্যান পদটাতো সেখানে অতীব নগন্য একটা বিষয়।আমি হাজী ইউনুস সাহেবের অনুপ্রেরণায় আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী হয়েছি।কিন্তুু অতি উৎসাহী কিছু লোক এবং তাদের মাঝে মিশে থাকা ষড়যন্ত্রকারীরা তৃতীয় পক্ষের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার ঘৃণীত অপচেস্টায় লিপ্ত।হাজী ইউনুস সাহেব আজকে সকালেও আমাকে ডেকে নিয়ে উনার নির্বাচন না করার পূ্র্বের ঘোষণা বহাল রেখেছেন।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক মহোদয়কে ফোন করে বিষয়টি আবার নিশ্চিত করেন।
উনি নিজে কখনও কোথাও নির্বাচন করার ঘোষণা দেননি।যারা শোডাউন নিয়ে উপজেলা নেতৃবৃন্দের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন তারা হাজী সাহেবের মতামত না নিয়ে গেছেন বলে হাজী সাহেব আমাকে নিশ্চিত করে জানিয়েছেন।
সুতরাং আপনাদের সকলের প্রতি আমার বিণীত অনুরোধ কারো পক্ষে,বিপক্ষে মন্তব্য বা সমালোচনার পূর্বে ধৈর্য ধারন করুন।আবেগাপ্লুত মন্তব্যে নিষ্পাপ কারো প্রতি অবিচার করা হয়।মনে রাখবেন,সময় চলে যায় আঘাতের চিহ্নটুকু চিরস্থায়ী হয়ে রয়ে যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *