ইন্দ্রজিৎ টিকাদার বটিয়াঘাটা খুলনা প্রতিনিধি

বটিয়াঘাটা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘন করে কিছু চেয়ারম্যান প্রার্থীদের প্রচার প্রচারনায় নারী শ্রমিক ক্রয়- বিক্রয়ের হিড়িক পড়েছে । অন্যদিকে একই শ্রমিক সকালে টেলিফোন প্রতিকে প্রচার-প্রচারণা করে বিকেলে ঘোড়া প্রতীকের প্রচার-প্রচারণা করছে বলে একটি সূত্র জানিয়ে । এতে করে এক প্রার্থীর শ্রমিক অন্য প্রার্থীর কাছে শ্রম বিক্রি করায় শ্রমের মূল্য নিয়ে প্রার্থী ও শ্রমিক সাথে বাঁধছে বাকবিতণ্ডা ।

এমন ঘটনা ঘটেছে উপজেলার জলমা ইউনিয়নের মাথাভাঙ্গা ও হরিণটানা এলাকায় ঘোড়া ও টেলিফোন প্রতীকের শ্রমিকদের মধ্যে । সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, আগামী ৫ জানুয়ারি ৪র্থ ধাপে বটিয়াঘাটা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদে টেলিফোন প্রতীকের প্রার্থী শ্রীমন্ত অধিকারী রাহুল ও ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী মোঃ মোতাহার হোসেন শিমুর নির্বাচনী কৌশল হিসেবে প্রতিদিন অর্থের বিনিময়ে কয়েক শত নারী শ্রমিক নিয়োগ দিচ্ছে ।

সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন উপজেলা থেকে নারী শ্রমিকরা বটিয়াঘাটায় এসে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণার কাজে অর্থের বিনিময়ে নির্বচানী শ্রম বিক্রি করছে । নারী শ্রমিকরা সকালের অর্ধ বেলা ৩’শ থেকে ৫’শ’ টাকা বিক্রি হলে বিকেলে অন্য প্রার্থীর কাছে অর্ধ দিন হিসাবে বিক্রি হচ্ছে বলে জানা যায় । ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে ।

এব্যাপারে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী নিতাই গাইন এ প্রতিবেদককে বলেন, আমি একজন সাধারণ মানুষ । আমি দু-দুজন কোটিপতি ও শিল্পপতির সাথে লড়াই করছি । আমার ভরসা সাধারণ মানুষ । বিগত নির্বাচন গুলোতে কোন অর্থ ছাড়া আমাকে ভালবেসে তাদের মূল্যায়ন ভোট প্রদান করে তিন তিন বার ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত করেছেন ।

আমার বিশ্বাস আগামী ৫ জুন ৪র্থ ধাপে বটিয়াঘাটা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সাধারণ মানুষ আমার দোয়াত কলম প্রতীকে তাদের মূল্যবান ভোট প্রদান করে আমাকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত করবে । এব্যাপারে এলাকাবাসী নির্বাচন আচরণবিধি মেনে কালোটাকার অপব্যবহার বন্ধ করে গণতান্ত্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *