ডেক্স রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন এর ৮নং ওয়ার্ড এনায়েতনগর এর বাসিন্দা মৃত রমিজ উদ্দিন পাঠান এর ছেলে সরকারি চাকুরি জীবি রিয়াজ উদ্দিন পাঠান (৪৫) এর উপর পারবর্তী জমির মালিক নারায়ণগঞ্জ বাবুরাইল এর বাসিন্দা খোকন (৪২) ও তার ভাই ফোরকান তাদের পোষ্যভূক্ত ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দের দারা বেদম মারধর ও রক্তাক্ত যখম করে বলে এমনটাই অভিযোগ ভুক্তভোগীর।

২৮ জুলাই বুধবার সকাল ১১ঘটিকায় এ নির্যাতনের শিকার হন রিয়াজ।

ঘটনার বিবরনে ভুক্তভোগী বলেন, এনায়েতনগর গ্যাস ফিল্ডের পিছনে মোঃ রিয়াজুদ্দিন পাঠান তার সীমানার দেয়াল নির্মান করতে গেলে তার পাশের সীমানার খোকন সকালে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পুলিশ কে এনে কাজ বন্ধ করতে বলে।

থানার এস আই শাহীন এসে বলে এ বিষয়ে যেহেতু আমাদের কাছে অভিযোগ করেছেন খোকন তাই দু-পক্ষ কে নিয়ে বসে যে সিদ্ধান্ত হবে তারপর কাজ করবেন। আইন ও সমাজের প্রতি শ্রদ্ধাশীল সহজ সরল সরকারি চাকুরী জীবি রিয়াজ উদ্দিন পাঠান আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে কাজ বন্ধ করেন।

কিন্তু চতুর খোকন তার কুটচক্রের জান বুনে কৌশলে চলে গেলেও এনায়েত নগরের তার কিছু পোষ্যভূক্ত সন্ত্রাসী বাহিনীদের লেলিয়ে দেন রিয়াজ উদ্দিন পাঠান কে মারধর করতে। রিয়াজ উদ্দিন পাঠান বাহির হতে বাড়ি ফেরার পথে মৃত আলাউদ্দীন এর ছেলে আমান (৪০), শামীম( ৪৫)ও হেলাল উদ্দিন (৬৫)তাদের সাথে থাকা ,মৃত সালাউদ্দিন এর ছেলে বাবু (৩৫) সহ অজ্ঞাত নামা আরো ১০/১৫ জন রিয়াজ উদ্দিন পাঠান এর রাস্তার গতিপথ রোধ করে দেশীয় অস্ত্র হাতে থাকা

শাবল,বাস,লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করতে থাকে তাদের মার খেয়ে চিৎকার করে বাসার সামনে আসলে তার স্ত্রী, বোন সহ বাসার ভাড়াটিয়া সবাই তাকে বাচাতে আসলে তাদের উপর ও চড়াও হয়ে রিয়াজ কে প্রানে মারতে না পেরে রিয়াজের স্ত্রীর গলার ১ভরি চেন তার বোন রোকসানার হাতে থাকা মোবাইল ও বোন শেফালী বেগম এর গলার ৮আনা স্বর্ণের চেন ছিনিয়ে নিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়।

যাবার সময় তারা হুমকি দিয়ে যান এ বিষয়ে কারো কাছে মুখনা খুলতে। তাদের নির্যাতনের শিকার রক্তাক্ত জখম অবস্থায় রিয়াজকে নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নিয়ে যান। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আহত রিয়াজ বিছানায় কাতরাচ্ছে। এ বিষয়ে শারীরিক অসুস্থতার জন্য আজ থানায় অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে যেতে পারেননি।তবে অভিযোগ করবেন দ্রুত।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এস আই শাহীন তার সাথে মারামারি বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি সকালে গিয়ে সীমানার দেয়াল নিয়ে কথা বলেছি পরে খোকন আমাদের সাথে চলে আসে। রিয়াজ কে মারধরের বিষটি শুনেছি তবে রিয়াজকে মারধরের বিষয়ে আমার ধারনা খোকন নয় তার পরবর্তী সীমানার লোকদের সাথে হতে পারে।

এদিকে রিয়াজকে মারধর করে আমান সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পুলিশ নিয়ে আসে। থানা পুলিশ আমানের ডাকে এসে মারামারি বিষয়ে মিমাংসার কথা বলে যান।
রিয়াজ কে মারধরের বিষয়ে খোকন এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, রিয়াজকে মারধরের বিষয়ে আমার কোন ইন্দন নেই।

রিয়াজ উদ্দিন পাঠান বেদম মারধর খেয়ে এখন তার পরিবার পরিজনসহ প্রান ভয়ে আতঙ্কিত।
ঘটনার বিষটি পুলিশ প্রসাশনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এবং ন্যায় বিচারের দাবী জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *