নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
রুপগঞ্জে হাসেম ফুড লিমিটেডের সেজান জুস কারখানায় অগ্নিকান্ডের ঘটনায় বিচারের দাবিতে সরকারি বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে গণসংহতি আন্দোলনের বিক্ষোভ সমাবেশ করার চেষ্টা। পুলিশি বাধায় পন্ড।

শনিবার (১০ জুলাই) বিকালে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে সেজান জুস কারখানায় অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ৫২ জন শ্রমিকের মৃত্যুর প্রতিবাদে গণসংহতি আন্দোলনের এ বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিলো।

গণসংহতি আন্দোলনের নেতা কর্মীরা প্রথমে প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নিয়ে সমাবেশ শুরু করে তখন পুলিশ এসে তাদের বিক্ষোভ সমাবেশ বন্ধ করতে বললে আন্দোলনরত নেতারা নারায়ণগঞ্জ সদর থানা পুলিশের তদন্ত (অপারেশন) কাজী মাসুদের কাছে ৫ মিনিট সময় চাইলে তিনি নিহত শ্রমিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ৫

মিনিট সময় দেয় কিন্তু সেই সময়টা কাজে লাগিয়ে তারা সরকার বিরোধী উস্কানিমূলক বক্তব্য দিতে থাকে তখন পুলিশ এসে তাদের বিক্ষোভ সমাবেশ বন্ধ করে চলে যেতে বললে গণসংহতি আন্দোলনের নেতারা পুলিশের সাথে তর্কে জড়িয়ে পড়ে।এরপরে পুলিশ তাদের ব্যানার নিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ বন্ধ করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন।

এ বিষয় গণসংহতি আন্দোলনের জেলার প্রধান সমন্বয়ক তরিকুল সুজন জানান, আমরা প্রশাসনের সাথে কথা বলে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করার অনুমতি নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করি এরপরে পুলিশ আমাদের বারবার বাধা দেয় এক পর্যায়ে আমাদের ব্যানার ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

নারায়ণগঞ্জ সদর থানার তদন্ত (অপারেশন) কাজী মাসুদ জানান, মহামারি করোনায় সারাদেশে লকডাউন চলাকালীন সময়ে সরকারের বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে গণসংহতি আন্দোলনের বিক্ষোভ সমাবেশ করার চেষ্টা কালে পুলিশ বাধা দিলে তারা অনুমতি নিয়ে সমাবেশ করছে বলে জানালে পুলিশ লিখিত অনুমতি পত্র দেখতে চাইলে তারা দেখাতে পারে নাই।

এরপরে গনসংহতির নেতার হাত জোর করে ৫ মিনিট চাইলে মানবিক চিন্তা করে তাদের সময় দেওয়া হয়, ৫ মিনিট সময় শেষে পুলিশ তাদের বিনীতভাবে বলেন করোনাকালীন সময়ে সরকারি প্রজ্ঞাপনে সভাসমাবেশ নিষিদ্ধ আপনারা এবার চলে যান, এসময় গনসংহতি দলের নেতারা পুলিশের কথার তোয়াক্কা না করে জোরপুর্বক সমাবেশ করেন।

সমাবেশে তারা সরকারকে অবৈধ সরকার, স্বেচ্ছাচারিত সরকার বলে আক্ষা দেন। তারা সরকারকে পতন করার হুমকি দেন। তারা রাষ্ট বিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত হয়ে উস্কানিমূলক বক্তব্য দিতে থাকে তখন আমরা তাদের সমাবেস বন্ধ করার জন্য তাদের ব্যানার নিয়ে যাই। তবে তাদের মধ্যে কোন ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া বা লাঠি চার্জের কোন ঘটনা ঘটে নাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *