ডেক্স রিপোর্টঃ
নারায়ণগঞ্জ রুপগঞ্জের সেজান জুস কারখানায় বিগত কদিন আগে যে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে এ ঘটনায় দেশসহ বিশ্ব শোকাহত। এখনো চারিদিকে এ শোকের বাতাস বইছে। জুস কারখানার অগ্নিকাণ্ডে ৫২ জন শ্রমিক অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যায়।

এ ছাড়া ১৫০ জন শ্রমিক বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। বেদনাদায়ক এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সারাদেশের বিভিন্ন মহল শোকবার্তা ও প্রকাশ করেন ।

সারাদেশের ন্যায় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ৬নং ওয়ার্ড এর সাবেক কাউন্সিলর সিরাজ মন্ডল শোকাহত হয়ে গণমাধ্যমের মাধ্যমে শোক বার্তা জানান। সিরাজ মন্ডল তার শোক বার্তায় বলেছিলেন, এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা থেকে আমাদের শিক্ষা নিয়ে শিল্প কারখানাগুলোকে সতর্ক হওয়া উচিৎ।

এমন মর্মাহত ঘটনা আমাদের কারো কাম্য নয়। তিনি আরো বলেছিলেন এ ঘটনায় আমি আজ ব্যথিত ও মর্মাহত। আমি নিহত সকলের আত্নার মাগফেরাত কামনাসহ অসুস্থদের সুস্থতা কামনা করছি।

এ শোক বার্তাকে কেন্দ্র করে সিরাজ মন্ডলকে জড়িয়ে একটি সংবাদ প্রকাশ করে “স্বাধীন বাংলাদেশ” নামে একটি পত্রিকা। রূপগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডের অগ্নিদগ্ধ ভবনের ছবির সাথে নাসিক এর সাবেক কাউন্সিলর সিরাজ মন্ডলের বাসভবনের সাথে সিরাজ মন্ডলের ছবিসহ একটি সংবাদ গত ১৪ জুলাই প্রকাশ করেন।

প্রকাশিত সংবাদের শিরোনাম “গোদনাইল মেঘনা ডিপো সংলগ্ন সিরাজ মন্ডলের আলিসান বাড়ির নীচে দাহ্য পদার্থের গোডাউন! আতঙ্কিত এলাকাবাসী” এ সংবাদে আরো উল্লেখ করেন রূপগঞ্জের সেজান জুস কারখানায়টি তৈল জাতীয় পদার্থের কারনে অগ্নিকান্ডের কারন। তাই সিরাজ মন্ডলের নব নির্মিত বাড়ির আশে পাশের লোকজন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।

যে কোন সময় ভবনের নিচের গোডাউনে রাখা তরল পদার্থে অগ্নিকান্ডের সৃষ্টি হতে পারে। সেইসাথে মেঘনা ডিপোর বিশ গজের ভিতরে সিরাজ মন্ডলের বাসভবনসহ গোডাউন উল্লেখ করা হয়েছে। যাহা আদৌ সঠিক নয় বলে জানা গেছে।

এর সত্যতা নিশ্চিত করতে সিরাজ মন্ডলের বাসভবনে গিয়ে দেখা যায় পূর্বে এখানে তেলের গোডাউন থাকলেও বর্তমানে এর অস্তিত্ব নেই। আশে পাশের লোকজনের সাথে কথা বলেও একই তথ্য পাওয়া যায়।

সিরাজ মন্ডল বলেন, কিন্তু অতন্ত্য দুঃখের বিষয় “স্বাধীন বাংলাদেশ” নামে একটি পত্রিকা সংবাদপত্রের সুনামকে পুঁজি করে অপ-সাংবাদিকতা করে যাচ্ছে। আমাকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে, আমাকে ব্যবসায়িক ও সামাজিক ভাবে আমার সুনাম নষ্ট করার জন্য অপপ্রচার করছে।

যেখানে মানুষের মনে এখনো শোকের ছায়া সেখানে তারা এটাকে পুঁজি করে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য উন্মাদ। আমার ব্যবসায়িক সকল কাগজ পএের বৈধতা নিয়েই আমি ব্যবসা পরিচালনা করে যাচ্ছি।

যারা নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য এ ধরনের পত্রিকা চালানোর চেষ্টা করছে আমি ন্যায় পরায়ন সাংবাদিক ভাই ও প্রকাশকদের অনুরোধ করবো এদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে। এদের মত লোক সংবাদপত্রের মানকে নষ্ট করে চলছে।

পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ তথ্য মন্ত্রনালয়ে কর্মকর্তা যারা রয়েছেন তাদের কাছে বিনীত অনুরোধ এ ধরনের পত্রিকার প্রতি নজর দিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *